খাগড়াছড়িতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির দ্বিতীয় দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালিত

Ramgarrh college picনিজস্ব প্রতিবেদক ।। খাগড়াছড়িতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারী কলেজগুলোতে দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি পালন করেছে শিক্ষকরা।

আজ রবিবার খাগড়াছড়ি সরকারী কলেজ, সরকারী মহিলা কলেজ ও রামগড় সরকারী কলেজের শিক্ষকরা এ কর্মবিরতি পালন করে।

এর আগে গতকাল (শনিবার) বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির পূর্বঘোষিত দুই দিনের কর্মবিরতি কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকালও (শনিবার)   কলেজগুলোতে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালিত হয়।

এদিকে কর্মসূচি উপলক্ষে খাগড়াছড়ি সরকারী কলেজের হলরুমে এক মতবিনিময় সভার অায়োজন করা হয়। মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যাপক ড. মো: আব্দুর সবুর খান, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল বাশার, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক এম  রাশেদুল হক।

সভায় বক্তারা বলেন, ঘোষিত ৮ম পে-স্কেল শিক্ষানীতির সাথে সাংঘর্ষিক, এতে শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুন্ন করা হয়েছে। ঘোষিত পে- স্কেল অনুসারে জাতীয় পে-স্কেলের ৪র্থ গ্রেড থেকেই শিক্ষকদের অবসরে যেতে হবে। এখানে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন থাকে শিক্ষা ক্যাডারের উপরের পদগুলোতে কাদের পদায়ন করা হবে। সমযোগ্যতা নিয়ে ক্যাডার সার্ভিসে যোগদানকারী বিভিন্ন ক্যাডারের মধ্যে এভাবে বিভাজন সৃষ্টি জাতীয় অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করবে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সদ্য আপগ্রেডকৃত মহাপরিচালকের পদের সাথে সংগতি রেখে নায়েমের মহাপরিচালক, শিক্ষাবোর্ড সমূহের চেয়ারম্যান, অনার্স মাস্টার্স কলেজের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক, নায়েম পরিদর্শন-নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক, এনসিটিবির সদস্য, শিক্ষাবোর্ড সমূহের সচিব, অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদের বেতন স্কেল আপগ্রেড ও বৈষম্য নিরসন, সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল পুনর্বহালের দাবিতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির কেন্দ্রীয় পরিষদ ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করে।

খাগড়াছড়ি নিউজ/এনএম/শাই/রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ইং-।

মতামত...